কোমরে হাত বিতর্ক অভিমত-চন্দন দেবনাথ।

Share

কোমরেহাতবিতর্ক


রাজনীতি করতে গিয়ে আমরা কতো নীচে নেমে যেতে পারি তার উৎকৃষ্ট একটি প্রমাণ ।
রাজ্যের মন্ত্রিপরিষদের দুই সদস্য কে নিয়ে যে সমালোচনার সৃস্টি করা হয়েছে তা একেবারেই স্কুল এর পিচ্চি বাচ্চাদের ক্লাস রাজনীতির পর্যায়ের ।
আমারা যারা ট্রল করেছি, আমাদের বোঝা দরকার ছিলো এটা একটা সভা ছিলো, যেখানে মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রী পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন । আর সামনে ছিলো অন্তত ষাট থেকে সত্তর টা ক্যেমেরা । লাইভ টেলিকাস্ট । এর উপর মাঠে লক্ষ জনতা ।
একটা বাচ্চাও যদি মন্ত্রী মনোজ কান্তি দেবের যায়গায় থাকতো এ উপলব্ধি থাকতো । আর সেইযায়গায় একজন শিক্ষিত যুবা মন্ত্রীর ভাবনায় এতো নিন্ম মানের ভাবনা আসবে যা আমরা বোঝাতে চাইছি তা হতেই পারেনা । এতটা নির্বোধ আজকাল কেউ আছে বলে আমার অন্তত মনে হয়না ।
আমরা ট্রল করতে তো একবারও ভাবিনা কিন্তু একবার ভেবেছি কি মন্ত্রী পদে যে যুব মেয়েটি আজ রাজনীতিতে এসেছে মানুষের সেবা করার মানসিকতা নিয়ে এসব দেখার পর আমাদের বোন সম ওই মেয়েটির মনে কি আসবে আমাদের প্রতি । সমাজের প্রতি । এই কুৎসিত অহেতুক সমালোচনা করে দিলাম কিন্তু এর মাঝে একজন সদ্য রাজনীতিতে আসা, সদ্য মন্ত্রী হওয়া মেয়েটির আত্মসন্মানকেও বলি দিলাম ।
মহিলা হিসেবে মন্ত্রী শান্তনা চাকমার এ ব্যপারে অতিসত্তর আইনের দারস্থ হাওয়ার সুযোগ আছে এবং মানহানি মামলায় প্রথম ব্যক্তি যিনি সোস্যাল মিডিয়ায় কুরুচিপূর্ণ পূর্ণভাবে ভাইরাল করেছে সে শাস্তি পাবে ।
রাজনীতির খাতিরে রাজনীতিবিদদের বিরোধীতা করা অযৌক্তিক নয় । কিন্তু বিরোধীতা যদি এমন নিন্ম পর্যায়ে নেমে যায় যেখানে একজন নারীরও সন্মান হানি করা হয় তবে তা বিরোধীতা নয়, অসভ্যতা ।
‘মন্ত্রীটাও একজন নারী’
যা তা হয়ে গেছে আমাদের মানসিকতা ।

আরও ভয়ংকর বিষয় লক্ষণীয় …
পাহাড়ি বাঙ্গালী সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উস্কানিমূলক বিষয় খোঁজার খাতিরেই কি টার্গেটে মন্ত্রী শান্তনা চাকমা এবং মনোজ দেব এটাও দেখার । কারন ফেসবুক বিতর্ক গুলো তাই দৃস্ট করছে কিন্তু ।

এখন থেকে সাবধান না হলে রাজ্যের জন্যেই এটা অত্যন্ত ভয়ংকর আগামী বয়ে আনবে

Leave a Reply