বইমেলায় সংঘ ও প্রধানমন্ত্রীর বিরূদ্ধে চক্রান্তে সায় বিপ্লব দেবের?

Share

কথায় আছে কাক ময়ুরের পাখা লাগালেও কখনো সে ময়ুর হতে পারে না, সে তো কাকই থেকে যায়!
প্রসঙ্গ টা কেন বলছি তা জানলে পাঠক হিসেবে আপনি হতভম্ব হবেন ঠিকই কিন্তু ফেক্ট টাও বুঝতে পেরে খুশী হবেন।


জি হ্যাঁ, খবর ত্রিপুরার, ঘটনাও ত্রিপুরার, আর চরিত্রে আছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মাননীয় বিপ্লব কুমার দেব ,
কথায় আছে, যে সন্তান তাঁর বাবার সম্মান করতে জানে না সে একজন অকৃতজ্ঞ সন্তান, একই ভাবে বলা যায় যে ব্যক্তি মোদীজীর নেতৃত্বাধীন সরকারের নাম করে, মোদীজীর নাম নিয়ে রাজ্যের ৩৭ লক্ষ মানুষের কাছে গেছেন, ভোটে জিতেছেন, মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, আজ সেই ব্যক্তিই মোদীজীর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষা করছেন বলে অনুভব হচ্ছে । হ্যাঁ একদম অপ্রিয় সত্য কথা।


ভারতে অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্য গুলির মুখ্যমন্ত্রীদের নিজ নিজ রাজ্যে যথেষ্ট সম্মান এবং জনপ্রিয়তা রয়েছে, এবং হবেই না বা কেন, ওরা নিজে সেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন, কিন্তু ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এক বছরের কাছাকাছি কার্যকালে এখনো রাজ্যে কোনো ছাপ রাখতে সক্ষম হন নি, বরং মোদীজীর নকল করতে গিয়ে এবং জাতীয় টিভি চ্যানেলে আসার জন্য ব্যর্থ প্রয়াস করেছেন অনেক বার, এতে করে রাজ্যের যেমন অবমাননা হয়েছে এমনইভাবে প্রদেশ ভাজপাকে খেসারত দিতে হয়েছে অনেক বার,


এই থেকেই সম্ভবত মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর মনে ক্ষোভ জমতে শুরু করে মোদীজীকে নিয়ে, ঈর্ষা আরো বাড়তে থাকতে, ত্রিপুরা ছোট রাজ্য হলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা সং্খ্যানুপাতে অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় অনেক বেশী, কিন্তু বিপ্লব দেবের জনপ্রিয়তা সেই যায়গায় জিরো, এইজন্যই ইতিহাস ভুলে, এবার মোদীজী কেই টার্গেট করেছেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী এমনটাই ধারণা রাজনিতীক মহলে, উনার প্ররোচনাতেই এবার রাজধানী আগরতলার বইমেলায় মোদীজীকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি সহ নিকৃষ্টতম এক বই বের হয়েছে বলে গুঞ্জন। রাজ্যের পশ্চিম জেলায় যেখানে ১৩ টি আসনেই বিজেপি জয়ী হয়েছে সেখানে এই ভাবে প্রকাশ্যে মোদীজীর বিরোধী বই কি করে মেলার বেচার সাহস পায় এস এফ আই এই প্রশ্নের উত্তর এখনো আসেনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে, তাছাড়া এই ধরনেই যারা বিক্রি করতে গিয়েছিল তাদেরকে কেন সায়েস্তা করা হলো না সেটাও জানতে চাইছে রাজ্যের জনগণ,

উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি দলের প্রদেশ সভাপতিও তিনি, তাই সাংগঠনিক দিক থেকে কতটা বিপন্ন হয়েছে দল, সেই দায় বর্তায় কিন্তু বিপ্লব দেব জীর উপর, যদি উনার মনে মোদীজীর সম্পর্কে সামান্য টুকু শ্রদ্ধা থাকতো তাহলে এই ধরণের বই যারা বিক্রির উদ্দেশ্যে বইমেলায় এসেছিল তাদেরকে নিশ্চয় সায়েস্তা করা হতো, তার মান কি রাজ্যের জনগণের করা অনুমান সঠিক? বিপ্লব দেব কি এবার নিজের জনপ্রিয়তা বাড়াতে মোদীজিকেও অপজিশন ভাবছেন, এমন যদি হয় তাহলে তো একই মোদীজীকে রান আউট করাতে গিয়ে নিজেই না প্যাবোলিয়নে ফিরতে হয় তাই ভাবছে জনগণ

Leave a Reply