A massage for Northeastern Bengali Society

Share

অধিকাংশরা আমরা গর্বিত বাঙালী বলেই কাম চালায়!
অসমের বা উত্তরপূর্বের সাত আটটি রাজ্যের বাঙালী নামের আন্দোলনের বাহানায় গৌহাটিতে সমবেত হয় থার্ড,ফর্থ গ্রেড হোটেলে,কারন একটাই কম পয়সাতে লাক্স সাবান আর ক্লিনিক প্লাস শাম্পু দিয়ে স্নান,দাঁত মাজা,পায়খানাতে বসে দূপুরে কি খাব সে চিন্তায় বিড়ি বা সিগারেটে সূখটান৷
একদিন বা একবেলা মিটিং করে গৌহাটি পল্টনবাজারের এদিক সেদিক উদভ্রান্তের মতো বাঙালী হোটেল খুজবে তারপর মাছভাত খেয়ে সাদা,গুটখা,পান,বিড়ি খেয়ে পল্টনবাজারের দোকান,ফাঁচিবাজারের ফুটপাথ থেকে দুচারটি সাংসারিক জিনিষপত্র কিনবে এদিকে লিমিট বাজেটের দিকে চোখ বড়াবর থাকবে৷
রাত্রের ট্রেনে যে যার বাড়িতে ফিরে আবার দৈনন্দিন হাজিরা কামে বা দোকানদারি অথবা গৌহাটিতে মিটিং নামের বীরত্বের আলোচনা চক্র খুলে ঘরে ঘরে আত্মপ্রচার করতে লেগে যায়৷

এইসবের নেপথ্যে সুকুমার কংগ্রেসী,চিত্তবাল,তৃনমুল কংগ্রেসি চন্দনের মেটার্জির মতো বহু চতুরপ্রানী নিজেদের ফান্ড মেনেজ করে নেয়৷বামবাদিরা তো সাথে আছে৷

বাঙালীদের আন্দোলনের নামে আরো কতো শতোজনের বাড়িতে ঝারবাতি জ্বলে,দিপাবলি,লক্ষিপুজো,দূর্গাপূজো রংচঙে হয় তা আমরা খবর রেখেছি৷৷কথা হচ্ছে এইসব আর কতোদিন?অসম,পশ্চিমবংগ,ত্রিপুরা ছাড়া তোমাদের লম্ফজম্ফ কেনো নেই?হয়তো বাঙালীত্ব পূর্নত্বভাবে তোমাদের রক্তে নেই অথবা তোমরা যোগ্য উত্তরসূরি নও৷
যদি যোগ্যতা থাকতো তাহলে বাংলাদেশকে কেড়ে নিতে তোমাদের রজ বীর্য পুরুষত্ব কাজ করেনা কেনো?

বিশেষ করে উত্তরপূর্ব ভারতের হিন্দু বাঙালীরা বাংলাদেশ কেড়ে নিতে চরমপন্থি সংগ্রাম বিপ্লব করতে হবে৷
বাঙালীদের মন মানসিকতায় বিদ্রোহ,বিপ্লবের চরম দাবানল,তেজ,আগুন জ্বালিয়ে তুলতে না পারলে কিস্যু হবে না৷বাঙালীরা বাংলাদেশের মুসলিম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আক্রমনাত্মক,
আগ্রাসনবাদি,প্রতিশোধমূলক ডম্বরু দামামা বাঁজাতে হবে৷

অসম,পশ্চিম বংগ,ত্রিপুরা বাঙালীদের জন্য একটি সুরক্ষার আশ্রয়স্থল এবং বিভাজনকামি ক্ষেত্র,এইসব রাজ্যে বাঙালীরা শুধুই সহানুভূতি পূর্ন আশ্রিত আর কিছুই না৷
বাঙালীরা উক্ত ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অধিকার নিয়ে থাকতে পারবে কিন্তু প্রকৃত নৈতিক বা জাতীয় অধিকারে বাঙালী বাংলার বীরভূমিতেই প্রত্থিত করতে হবে ৷
বাঙালী তার আইডেনটিটিকে যদি ফেরত নিতে চায় তবে একটাই কাজ করতে হবে সেটা হলো বাংলাদেশকে ছিনিয়ে নিয়ে হিন্দুরাষ্ট্রে পরিনত করার মতো একটি তুমুল মরনপন যুদ্ধ৷৷
তারজন্য চরমপন্থকে আশ্রয় করতে হবে একজন নবিন সুভাষ চন্দ্র বোস,মাষ্টার সূর্য সেন,ক্ষুঁদিরাম,শ্যামাপ্রসাদ,রাসবিহারি বোস,প্রফুল্ল চাঁকি,মাতঙ্গিনী হাঁজরা ইত্যাদির মতো ব্যক্তির প্রান প্রতিষ্ঠা হতে হবে৷
নেতা লুকিয়ে আছে,নেতৃত্বকে খুঁজে নিতে হবে৷
বীরত্বের,সাহসের,স্পষ্টবাদিতার,নৈতিকতা,বিশুদ্ধ জীবনশৈলীর আচরন লক্ষনে বলবে কে নেতা৷
এবং সকলে একমত হয়ে অনুসরন করতে হবে৷

কিন্তু বাঙালী নামক রশুনের কোয়া/ রোয়াগুলো একত্র হবে না৷সবার পোঁদে অর্শের রোগ লেগে আছে৷কেউ বসতে পারে না তো কেউ দাঁড়াতে পারে,কেউ হাটতে পারে না তো কেউ কোমড়ে জোর পায় না৷এমনতর হীন হয়ে পরেছে বাঙালীরা! শারিরীক,মানসিক,আধ্যাত্মিক কোনো বল বিক্রম মেধা যোগ্যতা নেই!! ধিক্কার!!
সবারই বাড়িতে কাজ,পকেটে চারানা নেই,ঢোক চারকৌটি টাকার দিতে ছাডে না৷শ্রমসাধ্যতা নেই,ধর্মের প্রতি স্বচ্ছ জ্ঞান নেই৷সামাজিক কাজে একমত পথে চলে না৷
শুধু ভিক্ষা,সাহায্য,করুনা,সাহায্য,সহানুভূতির আশ্রয়ে আবেদন করা ছাড়া পুরুষার্থ করা শিখলো না৷পূর্ব্বজদের নামে তুলসি ধুয়ে কতোদিন জল পান করবে?ওহে হিন্দু বাঙালীরা একদিন তো তুলসিতেও পঁচন ধরবে তখন কি ধুয়ে জল পান করবে শুনি?তামার না সোনার না পেতলের তুলসি বাঁনাবে???
তাই তুলসি ধুয়ে আর কাজ নেই বেশী করে তুলসী গাছ লাগানোর জন্য শ্রমসাধনা,অর্থ সাধনা,বুদ্ধি সাধনা,ধর্ম সাধনা করো,ক্ষমতা বাঢ়াও৷
শরির মন আত্মায় বল না আসলে তো পাঁদতেও জোর পাবেনা আর গর্বিত বাঙালী বলে লাভ কি হবে!
এমনটাতো করবেনা যে দরকার হলে নিজেদের ভেতর ষরযন্ত্রমূলক,বিদ্বেষ,হিংস্বামূলক কামড় লাগাবে তবুও একত্র হবে না!!
সংঘদ্ধতা হওয়া শিখে নাও আর নয়তো বাংলাদেশ অধিকার করা সম্ভব না,বাঙালী রাজনৈতিক ভিক্ষারী হয়ে থাকবে তবে জাতীয় সংস্কৃতির স্বাভিমানে আর বিশ্ববন্দিত হতে পারবে না,পারবে না,পারবে না,গ্যারান্টি৷

জ্যোতিষ তন্ত্র বাস্তু আধ্যাত্ম বেদ সব অনুসন্ধান গবেষনায় বেদান্ত ভৈরব হলাম৷হিন্দুত্বের চরম পর্যায়ে প্রবল উর্জ্জা নিয়ে কাজ করে চলছি অথচ হিন্দু বাঙালীদেরকে বংগভূমি মুক্তি সংগ্রামের জন্য একত্র করতে না পারার গ্রহ দশাটির কারন বের করতে পারলাম না৷এ কোন কৃত্রিম গ্রহের দূর্বিপাক??

জয় বাংলা৷জয় অখন্ড হিন্দুরাষ্ট্র৷

GD Kiraan Vedant Bhairab
Supremo-
International Hindu Senaa World Republic Movement
bsshelpus@gmail.com

Leave a Reply