পদ্মবিলে সাম্প্রদায়িক চক্রান্তে জড়িত বিজেপির চিত্ত দাস?

Share

ঘরের শত্রু চিত্ত দাস, নিজের রাজনীতিক লাভের জন্য পদ্মবিলের ঘটনায় সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিতে নানা সময়ে নানাভাবে চক্রান্তে লিপ্ত থাকেন বলে স্থানীয় এলাকায় গুঞ্জন। উনার রাজ্নীতিক পরিচয় উনি বিজেপির পানিসাগর মণ্ডলের সদস্য। বিগত 23 তারিক 250 জিহাদিদের দ্বারা 5 হিন্দুর উপর আক্রমণ ও দুইটা হিন্দু যুবকের বাইক পুড়িয়ে দেবার ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের অনুরুধে এক শান্তি বৈঠকের অহব্বান করা হয়, সেই বৈঠকে রাজনীতিক ক্ষমতা খাটিয়ে প্রতিনিদিত্ব করেন চিত্ত দাস। আশ্চর্যের বিষয় বৈঠকের দেড় ঘন্টা মূল ঘটনা কে আড়াল করে বিভিন্ন ফালতু বক্ত্যবের মাধ্যমে কাটিয়ে দেন উনি, তারপর বলেন এখানে আলোচনা হবেনা একটি শান্তি কমিটি করা হবে তারাই সিদ্ধান্ত নেবে কে দোষী। এই সিদ্ধান্তের পর উপস্থিত হিন্দুরা ক্ষোভে বৈঠক ছেড়ে চলে যায়, আর তাতে সুবিধা পায় চিত্ত দাস, মুসলমানদের মধ্যে নিজেকে জনপ্রিয় করতে দোষ উল্টা হিন্দুদের উপর চাপিয়ে দেয়, বলে হিন্দু ছেলেরা নাকি মদমত্ত অবস্থায় মসজিদের সীমানায় ভাঙ্গচুর চালায়, আর উনি নাকি খবরটি আগে থেকে জানতেন কিন্তু আটকাতে ব্যর্থ হন। তিনি আরোবলেন এই ঘটনায় নাকি 50-60 হিন্দু যুবক ছিল। তবে এবার তিনি নিজের ভূল বক্তবে নিজেই ফেসে গেছেন।
প্রথমত – পুলিশ ঘটনাস্থলে 4 জনকে উদ্ধার করে তবে বাকি ছেলেরা কোথায় গেল?

দ্বিতীয়ত- উনি আগে থেকে জানলে আগে পুলিশে খবর দিলেন না কেন? তবে কি এই চক্রান্ত উনার পরিকল্পিত?

তৃতীয়ত- উনি বলেছেন ছেলেরা মদমত্ত অবস্থায় মসজিদে হামলা চালিয়েছে, কিন্তু পুলিশ যাদের উদ্ধার করে তখন পুলিশ তাদের মুখে মদের কোন লেস পায়নি কেন?

সম্পূর্ণ ঘটনার পর বুঝতে অসুবিধা নেই যে চিত্ত দাস কিছু সংখ্যালঘুনেতার সাথে পরিকল্পনা করে এই 5 হিন্দুর উপর আক্রমণ ঘটিয়েছেন এবং দোষগুলি বিনা সঠিক তদন্ত করে নিরীহ 5 হিন্দুর উপর চাপিয়ে দিয়েছেন।

সবচেয়ে গুরুত্পূর্ণ কথা হল ঘটনা যে এলাকায় ঘটেছে সেখানে মাত্র 4 পরিবার হিন্দুর বাস, আর শান্তি বৈঠকের সময়ও কিছু মুসলমান একটি গড়িতে বন্দুক তলোয়ার নিয়ে তৈরী চিল বলে দেখা যায়।

Leave a Reply