ত্রিপুরাবাসীর পক্ষ নিয়ে আবেদন করার অধিকার কে দিয়েছে?

Share

উত্তর-পূর্ব ভারতে বর্তমানে সিটিজেনশিপ এমেন্ডমেন্টে বিল নিয়ে উত্তর গোটা উপজাতি সমাজ। এই বিলে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে নির্যাতিত সকল হিন্দু খৃষ্টান বৌদ্ধ দের ভারতের নাগরিকত্ব দেয়ার কথা বলা হয়েছে। যদিও বিলের কোথাও বলা হয়নি আগতদের কোথায় জায়গা দেয়া হবে তবুও য়েহেতু বিগতদিনে বাংলাদেশ থেকে বিশাল সংখ্যায় হিন্দু বৌদ্ধরা উত্তরপূর্ব ভারতে ঠাঁই নিয়েছে তাই কিছু নেতা নিজ রাজনীতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে এই অঞ্চলের উপজাতিদের মনে এই ভয় সঞ্চার করিয়েছেন য়ে সবাইকে উত্তরপূর্ব ভারতের আনা হবে।

এরই মধ্যে বিতর্কিত এক আবেদনের চিঠি আমাদের নজরে এসেছে য়েখানে য়ে ব্যক্তিগুলোর জন্য আজ বাংঙালি হিন্দুরা নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত তাদের মধ্যে একজনের নামে ত্রিপুরার আগরতলার পুরাতন সেন্ট্রাল জেলকে শেখ মুজিবর এর নামে নামাঙ্কিত করার আবেদন ত্রিপুরা সরকারের কাছে, এর প্রতিবাদে এক বাংলা থেকে বিতাড়িত ব্যক্তির বর্তমান প্রজন্মের একজন জিনি বর্তমানে ভারতের নাগরিক উনার লেখা খোলা চিঠি নিম্নরূপ,

“শেখ মুজিবর রহমান এমন একটি নাম যা কিনা পাকিস্থানের হাত থেকে বাংলাকে ছিনিয়ে নিতে শুধু নামটাই যথেষ্ট ছিলো। তখন #হিন্দুমুসলমান সকলে একডাকে একসাথে সংগ্রাম করলো, ১৯৭১ সালে ভারতের ততকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরাগান্ধির সহযোগীতায় পাকিস্থান আত্মসমর্পণ করলো, কিন্তু ভারত তার খন্ডিত অংশ দখল না নিয়ে বাংলাদেশ নামক নুতন রাষ্ট্র হিসাবে #হিন্দুমুসলমান মিলিত বাংগালীদের দেশ হিসাবে মুজিবুরজির কাছে সমর্পন করলো।
এতটুকু খুবই অসাধারন, কিন্তু তারপর………?
বাংলাদেশকে মুসলিম রাষ্ট্র বানানোর জন্য ১৯৪৭ এর পর আবার ১৯৭১ এ হিন্দুদের উপর শুরু হলো অমানষিক অত্মাচার, বাংলাদেশ হিন্দু শূন্য করতে হবে, সংগ্রামী হিন্দুরা নুতন সরকারের অসহযোগীতায় ভারতে তথা ত্রিপুরায় প্রবেশ করতে লাগলো, সংগ্রামীর স্থানে নাম হলো রিফিওজি। অসাধারন পুরুষ্কার!
আজকে পর্যন্ত ভারতে নাগরিকতা বীল বা NRC নিয়ে হিন্দুরা চিন্তিত, এটা যেনো পেছন থেকে আঘাত যাকে বলে বিশ্বাসঘাতকতা।
এহেন একজন হিন্দুবিদ্বেষী গদ্দারের জন্য আমার মত একজন হিন্দুর কোন মমতা বা শ্রদ্ধা বোধ হয়না, আমার গর্ব আমার আশ্রয়দাতা মহারাজা বীরবিক্রম, যিনি আরোও অনেক আগেই রাজ্যের স্থান ও খাদ্য গুদাম খুলে দিয়েছিলো।
এরকম লোক নিয়ে কোন অধিকার বলে একজন নিজেকে #ত্রিপুরাবাষীরপক্ষে আবেদক হিসাবে আবেদন জানান। আমি জানিনা এই চৌধুরী বাবু কে, আর উনি কোন #পাওয়ারঅফএটর্নিতে সকল ত্রিপুরাবাষীর পক্ষে আবেদনের অধিকারী হলেন! আবেদন করতে হলে নিজস্ব কোন সংগঠন বা ব্যাক্তিগত করুন, নাকি #পাচাটাঅভ্যাসদোষের কারনে নিজেকে #ঢালতরোয়ালবিহীননিধিরাম_সর্দার ভাবিয়া ত্রিপুরাবাষীর চিন্তা করেন?”

উপরের লেখা প্রতিবাদ পত্র নিয়ে আপনাদের মূল্যবান বক্তব্য কাম্য।

2 thoughts on “ত্রিপুরাবাসীর পক্ষ নিয়ে আবেদন করার অধিকার কে দিয়েছে?

  1. উনি বাংলাদেশ কে, শেখ মুজিব কে এত ভালোবাসলে উনি বাংলাদেশে গিয়ে থাকতে পারেন সানন্দে। তাহলেই সেখানকার হিন্দুদের বর্তমান অবস্থা বুঝতে পারবেন। আর ত্রিপুরার কোন কিছুর নামকরন করতে হলে সেটা ত্রিপুরার মহারাজা দের নামেই করা উচিত।

  2. হিন্দু হত্যার নায়কের এই তোষামোদকারী নিশ্চই বাংলাদেশী মুসলমান। এই “চৌধুরী” পদবী খুবই ঝামেলার বস্তু হে। ত্রিপুরার অধিকাংশ ঝামেলা এই একটি পদবীর কারণেই।

Leave a Reply