কেন্দ্র পাঠাল CRPF CBI অফিস ছেড়ে পালালো মমতার পুলিশ।

Share

বাংলার পুলিশ ৫ জন সিবিআই আধিকারিককে গ্রেফতার করেছিল কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ সেই পাঁচজন CBI আধিকারিকে ছাড়তে বাধ্য হয় যখন সিআরপিএফ গেল। সিবিআইয়ের অধিকারীকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের হাত থেকে ছাড়িয়ে নিল CRPF। পশ্চিমবঙ্গে মমতা ব্যানার্জির একনায়কতন্ত্র চরমে পৌঁছেছে। চিটফান্ড তদন্তে সুপ্রিম কোর্টের আদেশে সিবিআই কার্যকর্তারা কাজ করছিলেন। অভিযুক্ত এর ঘরে তল্লাশি চালানো এবং তাদের প্রয়োজনে গ্রেফতার করার সাংবিধানিক অধিকার সিবিআইয়ের আছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির খুব ঘনিষ্ঠ পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার কে ধরার জন্য সিবিআই তার বাসভবনে গিয়েছিল, ঠিক তখনই মমতা ব্যানার্জি তার রাজ্য পুলিশ কে লাগিয়ে সিবিআই পাঁচজন কার্যকরতাকে গ্রেপ্তার করে নিল এবং সেই পাঁচজন কার্যকরতাকে থানায় আটক করে রাখল। শুধু এতেই সীমাবদ্ধ নয় মমতা ব্যানার্জি তার রাজ্য পুলিশ কে কাজে লাগিয়ে সিবিআইয়ের কলকাতা দপ্তরকে পুলিশ দিয়ে ঘেরাও করে রাখলেন। যার ফলে রাজ্য CBI এর আধিকারিকরা তাদের নিজেদের অফিসেই আটক হয়ে রইলেন।

খবর অনুযায়ী কিছুক্ষণ আগেই সিবিআই দপ্তরের সামনে বহুমাত্রায় সিআরপিএফের জওয়ানের ফোর্স গেছে। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন সিআরপিএফ কেন্দ্রীয় বাহিনী।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর সিআরপিএফ জাওয়ান রা সিবিআই দপ্তরের সামনে পৌঁছাতেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য পুলিশ সেখান থেকে পালিয়ে যায়। সি আর পি এফ এর ভয়ে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ গ্রেপ্তার করা ৫ জন সিবিআই আধিকারিককে ও ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এই ঘটনা থেকে এটা পরিষ্কার যে কেন্দ্রীয় সরকার এখন অ্যাকশন এর মোডে আছে এবং রাজ্য সরকারের একনায়কতন্ত্র থেকে মুক্তির জন্য সিআরপিএফ বাহিনীকে কেন্দ্র পাঠিয়েছিল।

এই ঘটনা থেকে আন্দাজ করা যাচ্ছে যে পশ্চিমবঙ্গে আরো এরকম অনেক ঘটনা ঘটতে পারে। যেভাবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সাংবিধানিক সংস্থা সিবিআইকে আটকে রাখার জন্য চেষ্টা করেছেন সেটা সংবিধানের সব সীমা লংঘন করেছে এবং সংবিধানের উপর হামলা বলেই প্রত্যক্ষ করছে সাধারন। সম্ভবত মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালত শক্ত পদক্ষেপ নেবে।

Leave a Reply