জেনে নিন নাগা সাধুরা কিভাবে জীবন অতিবাহিত করে।

Share

কুম্ভমেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষন – নাগা সাধু।

এই “নাগা সাধুদের” বিষয় কিছু তথ্য,

এনাদের কাপড় পরার অনুমতি নেই, কাপড় পরতে গেলে শুধু গেরুয়া রঙ্গের সামান্য কাপড় পরতে পারে। নাগা সাধুদের অনুমোদিত ছাই দ্বারা সারা শরীরে মাখতে হয়। এনাদের ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী রুদ্রাক্ষ ধারন করতে হবে, তাদের পিক দিতে হবে এবং রাখতে হবে।

নাগা সাধুদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে মাত্র একবার খেতে হয়। সেই খাবার আবার ভিক্ষা করে চাওয়া হয়। একজন নাগা সন্ন্যাসীর ৭ ঘর থেকে ভিক্ষা করার অধিকার আছে। যদি ৭ ঘর থেকে ভিক্ষা না পায়, তাহলে ৮ম ঘর থেকে ভিক্ষা চাইতে যেতে পারেনা। তাকে সেদিন ক্ষুধার্ত হতে হবে।

নাগা সাধুরা ঘুমানোর জন্য বিছানা ব্যবহার করতে পারেনা, এনাদের রয়েছে শুধুই পৃথিবীতে ঘুম। এটা খুবই কঠোর নিয়ম যা প্রত্যেক নাগা সাধুকে অনুসরন করে চলতে হয়।
দীক্ষা নেবার পর গুরুপ্রদত্ত মন্ত্রে বিশ্বাস রাখতে হয়, তাদের ভবিষ্যতের সমগ্র আক্ষেপ এই গুরু মন্ত্র অবলম্বনে।

কুম্ভমেলা ছাড়াও নাগা ভাইদের সাধারন উপত্যকা ও সমতল থেকে দূরে থাকতে হয়। এরা শহরের বাইরে বসবাস করে। তারা কারো কাছে মাথা নত করেনা, শুধু সন্ন্যাসীদের প্রণাম করে। এমনি আরো অনেক নিয়ম পালন করে চলতে হয়।

নাগারা শুধু সাধু নয়, একজন যোদ্ধা। তাদের মধ্যে রয়েছে যুদ্ধ শিল্পের মাষ্টার, রাগ আর শক্তিশালী শরীর। প্রায়ই নাগা সাধুরা তাদের সাথে তলোয়ার, বর্শা, ত্রিশূল ইত্যাদি নিয়ে যায়। এই অস্ত্রাদি তাদের যোদ্ধা হিসেবে প্রমাণ ও হাতিয়ারও বটে! আধুনিক অগ্নেয়াস্ত্র আগমনের পর থেকে তাদের ঐতিহ্যবাহী সামরিক চরিত্র পরিত্যাগ করেছে। তারা এখন সন্কীর্ন জীবন যাপন করেছে, যা অর্থোডক্স মূল্যবোধ অনুসরন করে।

নাগা ভিক্ষুরা অাশ্রম ও মন্দিরে বাস করেন, আর আক্ষেপ করার জন্য তারা হিমালয় বা উঁচু পাহারের গুহায় জীবন ব্যয় করেন।

Leave a Reply